স্কিন পার্জিং হওয়া কতটা স্বাভাবিক?
ত্বকে গুড়িগুড়ি, র্যাশের মতো কিছু কয়েকদিন পর পরই উঠছে? সাধারণত এরকম ত্বকের সমস্যাকেই স্কিন পার্জিং বলে। কেমিকেল রিঅ্যাকশনের ফলে এমনটা হওয়া খুব স্বাভাবিক। ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত প্রসাধনীর মধ্যে ত্বকে পার্জিং সৃষ্টি করে এমন খুব পরিচিত উপাদান হলো রেটিনয়েড। এছাড়া ত্বকে যেসব এক্সফলিয়েট এসিড ব্যবহার করা হয় সেগুলোও এমন সমস্যা তৈরি করে।
স্কিন পার্জিং হলে কী করবেন?
স্কিন পার্জিং যদি হয়েই যায় সেক্ষেত্রে ত্বকের যত্নে সাবধানী হোন। প্রদাহ তৈরি বা বৃদ্ধি করতে পারে এমন কোনো সম্ভাবনা এড়িয়ে চলুন। সালফেট মুক্ত ক্লিনজার, ময়েশ্চারাইজার আর সানস্ক্রিন রাখুন সাথে। আর যদি রেটিনয়েডটি আপনাকে চিকিৎসক দিয়ে থাকেন তাহলে সেটিও ব্যবহার করুন। এতে ধীরে ধীরে প্রতিক্রিয়া কমে আসবে।
পার্জিং নাকি ব্রণ- বুঝবেন কীভাবে?
পার্জিং সাধারণত ত্বকে ব্রণ সবসময় যেখানে হয় সেখানেই তৈরি হয়। আর খুব দ্রুত জন্ম নিয়ে খুব দ্রুত সেরে যায়। অন্যদিকে ব্রণ নতুন নতুন স্থানে জন্ম নেয় এবং সেরে উঠতে ৮-১০ দিন সময়ে লাগে।
পার্জিং অনেক সময় ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। তাই এসময় সেগুলোতে হাত না দিয়ে, ময়েশ্চারাইজড পণ্য ব্যবহার করুন এবং ধৈর্য ধরে সেরে ওঠার অপেক্ষা করুন।
Share this article
