Top

ফেইস এসিড মূলত মুখমন্ডলের লোমকূপের ময়লা ও মরা চামড়া দূর করে ব্রণকে প্রতিরোধ করে। তবে বর্তমানে এমন প্রচুর ফেইস এসিড আছে। প্রশ্ন হলো, কোন ফেইস এসিডটি আপনি বেছে নেবেন? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

ফেইস এসিডের রকমভেদ

ফেইস এসিড মূলত বেশ কয়েকটি রকমের আছে। সেগুলো হলো-

১। স্যালিসাইলিক এসিড, যেটি ত্বকে ব্রণের সমস্যাকে দূর করার পাশাপাশি ত্বকের বয়স ও সূর্যের ক্ষতিকারক প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।

২। গ্লাইকোলিক এসিড, যেটি মূলত আখের রস দিয়ে প্রস্তুত করা হয় এবং প্রাকৃতিক হওয়ায় ত্বকে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই বয়সের দাগ, ব্রণ, ডার্ক স্পট ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে।

৩। ম্যান্ডেলিক এসিড, যেটি মূলত আলফা-হাইড্রক্সি এসিড নামে পরিচিত এবং সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব, ত্বকের রঙের সমস্যা এবং ব্রণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪। অ্যাজেলাইক এসিড, যেটি গত তিন যুগ ধরে লোমকূপ পরিষ্কারের মাধ্যমে ব্রণ ও প্রদাহ থেকে সবাইকে সুরক্ষিত রাখছে।

৫। কোজিক এসিড, যেটি ত্বক উজ্জ্বল করতে এবং ত্বকে বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।

ত্বকের ভিন্নতার উপর নির্ভর করে আপনি আপনার জন্য মানানসই এসিড বেছে নিতেই পারেন। তবে সব কিছু বিবেচনায় আনলে স্যালিসাইলিক এসিডকেই নিরাপদ ও কার্যকর ফেইস এসিড হিসেবে এগিয়ে রাখেন বিশেষজ্ঞরা।

Post a Comment