Top

বহু বছর ধরে ত্বকের যত্নে বডি অয়েল ও বডি লোশন দুটোই ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের ময়েশ্চার দুটোই নিশ্চিত করলেও বডি অয়েল ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতাও নিশ্চিত করে। অন্যদিকে বডি লোশন ত্বকের উপরিভাগের নির্দিষ্ট স্থানে ময়েশ্চারাইজার প্রদান করে।

এই দুটি প্রসাধনীর উপাদানও বেশ আলাদা। বডি অয়েল যেখানে বাদাম বা ভেজিটেবল অয়েল দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে বডি লোশন তৈরি হয় তেল ও পানির মিশেলে।

বডি অয়েলের উপকারিতা

১। বডি অয়েল ত্বকের লিপিডের যোগান দেয়। ফলে এটি ত্বকের ব্যারিয়ারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সিবাম উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ত্বক আর্দ্র রাখে বডি অয়েল।

২। বডি অয়েল সরাসরি ভেজিটেবল বা নাট অয়েল থেকে আসে বিধায় এতে ত্বকের কোনো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

বডি লোশনের উপকারিতা

বডি লোশন মূলত পানি ও তেলের মিশ্রণ। বডি অয়েল শুষ্ক ত্বকের জন্য কার্যকর হলেও বডি লোশন সব রকমের ত্বকের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়। লোশনে অ্যালার্জির সম্ভাবনাও কম থাকে।

তবে সব মিলিয়ে বডি অয়েল ও লোশনের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হলে অবশ্যই আপনার ত্বকের ধরন, আবহাওয়া ইত্যাদি সম্পর্কে জেনে নিতে ভুলবেন না।

Post a Comment