Top

ভিত ঠিক না হলে যেমন একটি স্থাপনা টিকে থাকে না, ঠিক তেমনই বেজ সঠিকভাবে সেট করা না হলে পুরো মেকআপ লুকই মাটি হয়ে যায়। ত্বকের ধরন, সেই অনুযায়ী সঠিক মেকআপ পণ্য, ও সেগুলো ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি মেনে বিশ্বের পেশাদার মেকআপ আর্টিস্টরা বেজ মেকআপের কাজ করে থাকেন।

ত্বকভেদে ফাউন্ডেশনের ভিন্নতা

ত্বকের রং এবং পণ্যের ফর্মুলা বিবেচনায় রাখার পাশাপাশি অবশ্যই ‘নন-কোমেডোজেনিক’ লেখা দেখে মেকআপ পণ্য কিনতে হবে।

শুষ্ক ত্বক: ‘ডিউই’ ও ‘ইলুমিনেটিং’ ফাউন্ডেশন।
তৈলাক্ত ত্বক: পাউডার ম্যাট ফর্মুলা ফাউন্ডেশন।
ব্রণযুক্ত ত্বক: স্যালিসাইলিক এসিড বা টি ট্রি অয়েলসমৃদ্ধ ফাউন্ডেশন।
বুড়িয়ে যাওয়া ত্বক: ভিটামিন ই বা হায়ালুরনিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ ডিউই ফাউন্ডেশন।

কালার কারেক্টর কখন ব্যবহার করবেন?

অবশ্যই ফাউন্ডেশন বা কনসিলার ব্যবহারের পূর্বে কালার কারেক্টর ব্যবহার করতে হবে।

বেজ মেকআপের জন্য কী কী টুল প্রয়োজন?

ব্রাশ, স্পঞ্জ বা আঙুল ব্যবহার করেও খুব সুন্দরভাবে বেজ মেকআপ করা যায়।

ত্বকভেদে বেজ মেকআপের কিছু টিপস

তৈলাক্ত ত্বক: ত্বক পরিষ্কার করে ভিটামিন সি যুক্ত হালকা সেরাম ব্যবহার করতে হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন এবং লুজ পাউডার ব্যবহার করতে হবে।

শুষ্ক ত্বক: মুখ পরিষ্কার করে পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটিং প্রাইমার অয়েল, কালার কারেক্টর, ফাউন্ডেশন এবং হাইড্রেটিং ফেস মিস্ট ব্যবহার করতে হবে। মিশ্র ত্বক: ত্বক পরিষ্কারের পর পর্যায়ক্রমে হালকা প্রাইমিং অয়েল, ফাউন্ডেশন, কনসিলার এবং সেটিং স্প্রে ব্যবহার করতে হবে।

Post a Comment