হাইপারপিগমেন্টেশন সারিয়ে তুলবেন কীভাবে?
হাইপারপিগমেন্টেশন মূলত ত্বকের রঙের একটি কন্ডিশন। অতিরিক্ত মেলানিনের কারণে এক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর ত্বকে রঙের বিন্যস্ততায় ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। সূর্যের নিচে থাকলে এই সমস্যা আরো বেশি বৃদ্ধি পায়।
গর্ভধারণ থেকে শুরু করে মানসিক চাপ, বংশগত সমস্যা, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিতে অনেকটা সময় অবস্থান ইত্যাদি কারণে এই সমস্যায় ভুগতে পারেন একজন মানুষ। ত্বকের পরীক্ষা, মেডিকেল হিস্ট্রি ও বায়োপ্সির মাধ্যমে এই সমস্যা চিহ্নিত করা সম্ভব।
হারপারপিগমেন্টেশন থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়
একজন মানুষ তার নিজস্বতাতেই সুন্দর। তবে, আপনি যদি চান আপনার ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশনের সমস্যাকে দূর করতে, সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত উপায়গুলো রয়েছে আপনার জন্য।
১। ওষুধ
সাধারণত ডার্ম্যাটোলজিস্ট হাইপারপিগমেন্টেশনের ক্ষেত্রে টপিক্যাল মেডিসিন দিয়ে থাকেন আক্রান্ত স্থানের রঙ হালকা করার জন্য। এর মধ্যে রয়েছে-
- হাইড্রোকুইনোন (২%), যেটি তকের এই সমস্যা দূর করতে অসম্ভব কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- কেমিক্যাল পিল, যেখানে গ্লাইকোলিক এসিড সবচাইতে বেশি নিরাপদ মনে করা হয় ত্বকের রঙ ঠিক করতে।
- কোজিক এসিড, যেটি বিষাক্ত নয় একদম, এবং পাম অয়েল থেকে সরাসরি নিঃসৃত হওয়ায় মেলানিনের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।
২। মাইক্রোডার্মাব্রাসিয়ন
এই পদ্ধতিতে আক্রান্তের ত্বকের একেবারে উপরিভাগ সরিয়ে ফেলা হয়। তবে ভালো ফলাফল পেতে হলে আপনাকে কয়েকবার এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
৩। লেজার ট্রিটমেন্ট
সাধারণত লাইট বীমের মাধ্যমে মুখমন্ডলের উপরিভাগের এই ট্রিটমেন্ট করা হয়। তবে সব ত্বকের জন্য এই চিকিৎসা কার্যকর না হওয়ায় এ ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর সবশেষে ওটিসি বা ত্বকের রঙ হালকা করে দেওয়ার ক্রিমগুলোও ব্যবহার করে দেখতে পারেন হাইপারপিগমেন্টেশন দূর করতে।
Share this article

